আহারে, প্রগতিশীলের পো, আহারে আমাদের নাজুক মননশীলতা, আহারে শরীরহীনতা, আহারে আমাদের টলটলে ভাবাবেগ, আহারে, আহারে, আহারে আমদের পশমে মোড়া মস্তিষ্কগুলো, আহারে, আমাদের কোমল হৃদয়, আমাদের তুলতুলে মেরুদণ্ড, আমাদের ফিনফিনে চামড়া, আহারে! আহারে, আমাদের লেগেছে, ব্যাথা লেগেছে, খুব লেগেছে। আহারে, আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতা, আমরা বেটি বাঁচিয়েছি, পুড়িয়ে মেরেছি বেটির মুসলমান প্রেমিককে। আহারে, আমাদের আগ্রাসী জেন্ডার চেতনা, আহারে, আমাদের সেন্সিটিভ মাড়ি, আমরা টুথপেস্ট কিনে থাকি অনেক সময় নিয়ে। আহারে! আহারে। আমাদের শ্রেণীচেতনা, আমরা রিক্সাওয়ালা দেখলেই ডেকেছি তুই, আমলাকে বলেছি স্যার। আহারে। আমরা চে কে বলেছি সেক্সি, রবীন্দ্রনাথকে বলেছি ঠাকুর, নিজের সন্তানকে বলেছি শুয়োরের বাচ্চা। আহারে, আমাদের রসবোধ, আমরা কিন্তু কৌতুক বুঝি, ননভেজগুলো স্পেশালি, মাইরি, কী ক্রিয়েটিভিটি, খিকখিক! অথচ, আমরা সবাই সুবোধ বালক অথবা বালিকা অথবা সরকার। আহারে!  আমরা চিকনি চামেলি মেরেছি চাকুম চুকুম, প্রেমিকাকে আদর করে ডেকেছি বেবি ডল, আর রাগ করে বলেছি সোনাগাছী। আহারে আমাদের ফ্যাবিন্ডিয়া, আমাদের সংস্কৃতি। আমাদের সচেতনতা। রাষ্ট্র যা বলে দেয়, যেভাবে বলে দেয় আমরা তাই করি। মুখ্যমন্ত্রী এসে ভাইস চ্যান্সেলরের পদত্যাগ ঘোষনা করে দিলেই আবির কিনতে ছুটি, প্রশ্ন করি না, মাননীয়ার ক্ষমতা কিকরে হয় এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার? আমরা প্রশ্ন করি না, কোনও প্রশ্ন করি না। আমরা গান গাই। আহারে আমাদের পঁচিশে বৈশাখী মন, আমরা সুরেলা এবং শান্তিপ্রিয়। রাষ্ট্র বলে দিয়েছে প্রতিবাদের ধরণ কেমন হবে, আমরা তাই পুলিশ ক্যালাতে এলে পিওর কটনের শাড়ি পরে গান গাই, আর ময়লা পাঞ্জাবি পরে কাব্যি আওড়াই। ধর্ষন করে এসে ভাত খাই, ধর্ষিতাকে বলি, “দেখাও তো দেখি কোথায় মলেস্ট করেছে”! আহারে আমাদের শালীনতা আর ঐতিহ্য। আহারে। আহারে, আমাদের আনন্দবাজার।

The ring

 

This one is new. The ring has a real flower stuck inside it. This one is sad. It was bought from a little boutique in Stamford on a certain Summer day. The lady who first showed me the ring, I’ll never see her again in this life. Not particularly because something bad will happen to her, or to me, or to this planet. Because amazing things will keep on happening but we shall never meet again, as any two individuals walking on this planet who only get a perfect first meeting and that’s it. But that’s not sad because that’s how it works. Or, maybe, just maybe we shall pass by each other, on an ordinary Winter day, and won’t even know, because that’s how it works, you know, you pass by people you’re supposed to know but you don’t. That’s not sad. That’s just how it works. But this one is special. Because it has a flower, much laughter, and an unusually bright Summer day stuck inside.

IMG_20150316_193231I look at this lady in the subway whenever I take the train from Harvard Square, this middle-aged woman in black trousers and a black jacket, I have heard her singing the same song everyday. I don’t remember the song, never even bothered to google it. I vaguely remember a few words, and it goes something like: and you said I was the only one. I remember these words so clearly because her voice gets ever so intense whenever she utters these few words. She doesn’t sing well, her voice is sad and broken. But it’s for her voice that I manage to feel warm in this freezing little mess of a city.

You know where exactly even the fanciest camera of all, fails? Here. I am unable to present to you this moment of mine with a strange old lady with a voice so known to both of us.

And I wish we could sit by her side there at the subway. And I could love you as we listen to her voice break with all that pain that we both know so intimately.

I love writing to you.

And actually we both write the same things all the time. Now I ask you if you’re ill, then you write about it, now I want to die, then you, now I want to cry in front of you like a little girl, and then you in front of me like a little boy. And once and ten times and a thousand times and all the time I want to be with you and you say the same. Enough, enough.